Merchandise of Camelia Sinesis & Other Poems

মনোপলি আজ মুত্তিয়া মুরালিধরনের মতো একজন ক্যানভাসার দেখলাম, শুদ্ধ বাংলায় দাঁতের মাজন বিক্রি করছে। অবিকল জনি ডেপের মতো একজন আছে, দৈনিক পত্রিকায় ফটোগ্রাফারের চাকরি করে। ফ্রিদা কাহলোর মতন একজনকে দেখেছিলাম—জোড়-ভ্রূ—বাগেরহাটের পুরনো রেলস্টেশনে স্যাক্সোফোন গড়নের একটা বাদ্যযন্ত্র বাজাত। রাস্তার ক্যানভাসার মুরালিধরন কি জানে, তার মতন এক শ্রীলঙ্কান পাঁচ আঙুলে ছুঁড়ছে ঘূর্ণিঝড়, কিংবা ফটোগ্রাফার জানে ক্যারিবিয়ান দ্বীপপুঞ্জের দস্যুর গল্প? কাহলোর চোখের গভীরতা জানে স্টেশনের মেয়েটি?

…রাসেল জানে, হিব্রু ভাষায় ধর্মগ্রন্থ লিখছে আরেক রাসেল, ইসরায়েলে!

Monopoly A canvasser, exactly alike Muthaiya Muralidharan, struck my eyes today. He was crying his trade of selling toothpaste in pure Bengali. There exists one, acutely similar to Johnie Depp, working for a daily newspaper as free lancer. I casted a glance once over someone bearing the signature mono brow of Frida Kahlo—she used to play saxophone, kind of a musical instrument at the old railway station of Bagerhat… Is Street hawker Muralidharan aware of the Shrilankan who throws cyclone with his five fingers? Or the photographer is well informed about the pirates of the Caribbean islands? The girl of the railway station has ever known the range of depth, hidden within Kahlo’ eyes?

…Rassel connects the other Rassel, in Hibru, who is inscribing the Holy Book in Israel!

# দর্জি …তারপর তিনিও জানলেন সেলাই মেশিনের বেদনা।

—আমাদের পরিধেয় জামায় লেগে আছে সতের হাজার তেরটি রেশমের বিদীর্ণ খোলস আর তিনজন দর্জির দীর্ঘশ্বাস। কে না
জানে, রেশমের প্রতিটি উড়াল আর দর্জির আলাদা আলাদা সেলাইগুলির উহ্য গল্প থাকে—
প্রতিটি ফোঁড় বলে দেয়, তারা কেমন আছে

 

Tailor …And thereafter, he, too, intimated the pain of a sewing machine.

Torn sloughs of seventeen thousand thirteen raw silks with sighs of three tailors adhere the attire we wear.

Who knows not , each flight of a silk and every stitch of a tailor tells of elliptical tales… Each suture notifies how they exist

# ক্রিসমাস গুলিবিদ্ধ ঘুঘুটির ঝলমলে ফুটকি মনে করিয়ে দেয়, বৃষ্টি বিদায় নিয়েছে এক জন্ম আগে। শতরঞ্জি বিছিয়ে এখন বসা যেতে পারে শোকপ্রস্তাবে; কণ্ঠ মেলানো যায় প্রাচীনতম সঙ্গীতে… আর এইসব ঐশ্বর্য উৎসর্গ করা যেতে পারে সেইসব চশমা পরিহিত বালিকাদের প্রতি—যাদের কাছে নিদ্রা মানে হ্যান্স ক্রিশ্চিয়ান অ্যান্ডারসনের রূপকথা। …মৃত পাতকুয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে ডাকলে কুয়াও প্রত্যুত্তর দেয়, অথচ উড়ন্ত প্রজাপতির মতো নিরুত্তর থাকাই সেসব বালিকার নিয়তি!

ক্রিসমাস আসন্ন। রাতের নদীর রূপে শান্ত সব রমণীরা পালটে যাবে আমাদের চোখের সম্মুখে

Christmas The glittering dots of the dove bearing bullet wound reminds me of the au revoir of rain a generation before. Now it’s the time to unfold the drapes of a carpet, followed by mourning proposition. Accompanying the chorus for the oldest song is welcome also. And the plenary of affluence may be offered to the maidens wearing specs to whom the interpretation of sleep is nothing but the fairy tales of Hans Christian Anderson… If someone, intoxicated, cries within a dead well, the well even replies, yet, remaining mum is destined for the maidens resembling yellow butterflies.

Christmas is just round the corner! The dispassionate womenfolk will change before our eyes in the impersonation of the stream at night

# পরম্পরা মাছের লেজের ঢঙে, মাছির ডানার ঢঙে জেগে উঠতেন আমার বাবা। তারপর ছুটতেন বাজারে। রাতে যখন ফিরে আসতেন মাছ ও মাছির গন্ধ নিয়ে, আমি ভাবতাম, আহা, একদা কি চন্দনের ঘ্রাণ নিয়ে আসতে পারেন না? (তখন মোটেই জানা ছিল না, সেসব নিয়ম অনেক আগে উঠে গেছে, আজকাল শুধু মৃত্যু এই গন্ধ নিয়ে আসে)। আজ রাতে যখন বাবার শরীর ভর্তি চন্দনের ঘ্রাণ, ভাবছি, মাছ ও মাছির গন্ধ আরও বেশি ভালো ছিল!

২. আমি যখন ক্লাস ওয়ানে পড়ি, ফিস চাইতে গেলে বাবা আমার দিকে ম্রিয়মাণ ভঙ্গিতে তাকিয়ে ছিলেন, যেন তার মনে পড়ে গেছে গত রাতের কথা, যখন আমি মোমের আলোয় চেঁচিয়ে পড়ছিলাম, ‘ফিস মানে মাছ, ফিস মানে মাছ…’ তিনি মাছ কুটছিলেন। সেই মুহূর্তে আমার দিকে মনোযোগ দেওয়ার ফলে তার একটি আঙুল ছিন্ন হয়ে যায়। যেহেতু ফিস দেওয়া হচ্ছেই না, কিছু অ্যাডভেঞ্চার করা যাক ভেবে আমি সেই আঙুল রঙিন পেপারে মুড়ে স্কুলে জমা দিয়ে দিলাম।…এইভাবে দশম শ্রেণি পর্যন্ত দশ ক্লাসে দশটি আঙুল জমা পড়ে স্কুলে! স্কুল ছাড়ার আগে ফিজিক্স-টিচার দেখলাম শল্যচিকিৎসকের ভূমিকায় নেমে গিয়ে কাগজে মুড়িয়ে রাখা পুরাতন দশটি আঙুল আমার দুহাতে লাগিয়ে দিলেন। নিজের হাতের দিকে তাকিয়ে মনে হলো, আমার সন্তানকে বিশ ক্লাস পড়াতে পারব। সেও নিশ্চয়ই তার সন্তানকে পড়াবে ত্রিশ-ত্রিশটি ক্লাস…

The Catena In the stance of a fishtail, wings of a fly, my father used to wake up to run towards the barter. In time of returning, carrying odour of fish and fly, every night, I used to imagine, oh, would he ever return with the fragrance of sandal for a single day? (It was obscure that the rubric had become revocated long long ago. Now-a-days, only a death possesses the potential to bring such reek) The day has come when his whole frame is carrying stark scent of sandal and I am recollecting how far better the smell of fish and fly was!

  1. When I went to ask fees for class one, father stared at me disconsolately as anamsesis of last night rushed as I was shouting my lesson, ‘fish and fees are homonyms… fees and fish are homonyms…’ He was chopping fish then. Due to shifting the concentration on me, one of his fingers became lacerated. Realizing the probability of enjoying an adventure instead of submitting the fees as it was impossible, I deposited the cloven finger in school, wrapping it up with colorful paper. Ten years down the line, my school received ten fingers consequently. As I was about to leave, metamorphosing his identity into a surgeon, the physics teacher attached the previously preserved fingers to both of my hands. Observing my own, it seems, I can make my son read in twenty classes and he will definitely arrange thirty classes for my grandson…

# অশ্বমেধ একটি রজঃস্বলা তীব্র হাত আজও কেড়ে নিতে থাকে শ্বাস। আমার দৃশ্যে-ভারবাহী-চোখে নেমে আসতে থাকে নির্জনতার বেখেয়ালি মাধুর্যমর্মর। তখন একটি বাসগৃহের প্রয়োজন হয়ে পড়ে এবং আমি পেয়েও যাই একটি বাসগৃহের অনুমতি—

নির্জলা উপহাসের ভঙ্গিতে দালির কণ্ঠস্বর ভেদ করে নেমে আসে ঝাঁক ঝাঁক সোমত্থ অশ্ব। দেয়ালে দেয়ালে সাজিয়ে রাখা সেই অশ্বের হ্রেষা আর হৃদস্পন্দন মর্মরিত হয় গোপনীয়তায়। আর অজস্র কবুতরের দানা আমি ছড়িয়ে দিই মেঝেতে—কিছু অপ্রত্যাশিত ছায়ার প্রয়োজনে। খোলা ছাদ বেয়ে তখন নেমে আসে যথার্থ অশ্লীল চাঁদ—প্রতিপক্ষের রক্তের লোভে যেরকম খাপ ছেড়ে বিজয়ী যোদ্ধার হাতে উঠে আসে নগ্ন তরবারি। সেই মুহূর্তে নারী ছাড়া সমস্ত নগ্নতা মানুষের কাছে অশ্লীল মনে হতে থাকে…

Ceremony of Sacrificing a Horse An acute menstrual palm still takes the breathe away… In my vista through encumbered eyes seclusion starts ascending as delicate susurration beyond caprice… Then an urge of residing under a roof emerges essential and I, too, turn sanctioned with one—

Like unadulterated ridicule, the assemblages of nubile horses come down penetrating the voice of Dali. The neigh and the beat of the horses, displaying on the walls, start seeking confidentiality to be rustled. And I scatter innumerous granules of a pigeon on the ground requiring an unsuspected shadow. Then lands the definite obscene moon on carapace ceiling, allured of the haem of the opponent same as the way a triumphant warrior hoists his nude sword. The moment arrives when all the nakedness except the gentle sex appear indecent to a man.

# মাতাল ‘কে চেনো আমায়, আমার বাসায় কে নিয়ে যাবে’—এই দৈব এবং বিষণ্ন কৌতুকটি আমি শুনেছি শুঁড়িখানার সামনে। আলোয়ান জড়ানো সহিস একটি আনতমস্তক ঘোড়ার গাড়িসমেত এসে দাঁড়াল। ইতোমধ্যেই আমি হারিয়ে ফেলেছিলাম ডানা ও ডমরু। আমার বন্ধুরা ভিড়ের মধ্যে আমায় তুলে অনবরত ছুড়ে মারত—শূন্যের আনন্দ দিতে, তারাই বাজাত করতালি। সেইসব বন্ধুরা একদিন ভাড়া করে এনেছিল মোমের মুদ্রায় নেচে ওঠা পর্তুগিজ নর্তকী—নাচ শেষে যে আমায় প্রেমপত্র লিখেছিল তার ভাষায়। সে-চিঠির মর্মোদ্ধার করতে অনন্তকাল ঘুরে বেড়াচ্ছি ভাষা ইন্সটিট্যুটে…

শুঁড়িখানার সামনে তখন আমার ডানহাতে পর্তুগিজ বর্ণমালা;— বাঁহাতে আমি ইশারা করছি সহিসকে, মাতালকে…শুনতে পাচ্ছি, প্রগাঢ় বিষণ্ন কোনো করোটি হাসছে কোথাও—যে ভঙ্গিতে আমি এতদিন হেসেছি।

The BlottoAnybody there, to identify me, to give me a lift?… Anybody?’—the divine and dusky trickery I had heard in front of a tavern. Wreathed in a wrapper, a groom with inclined head emerged followed by a horse carriage. Meanwhile, I lost my wing and tabor. To give exhilaration of jejune,my friends used to lift me from boodles and fling continually while tooting applause. Once, they hired a Portuguese ballerina who used to caper in beeswax flair. She scribbled a billet-doux in her own tongue, excavating the secret of which, have been hanging out in lingo institutions since epilogue of dance to eternity.

While, before the tavern, holding Portuguese alphabet in right palm and bickering at the groom, the groggy with my left one, I was hearkening the simper of a profound pensive cranium from far, the same one which I owned till.

# বিবর্তন মানুষ বারবার আয়নায় নিজেকে দেখে। দেখতে দেখতে ক্রমশ সে গুলিয়ে ফেলে— কোনটা তার ডান হাত, কোনটা বাঁ-হাত। একদিন দেখা যায় প্রতিবিম্বের নিখুঁত আচরণে অভ্যস্ত হয়ে উঠছে সে।

Evolution A man turns up at himself repeatedly in a mirror. Continuing the practice, he becomes confused which is the right hand owing to him or which the left one.

Then comes a day when he visibly makes himself accustomed as the faithful conductor to the reflection of the glass

# সওদাগর কাকে চাও, সমুদ্র নাকি ব্যস্ত বন্দর—যেখানে অযত্নে পাশ ফিরে শুয়ে আছে মাস্তুলবিহীন অজস্র বিষম-খাওয়া জাহাজ। যারা মশলা পাবার লোভে হেঁটে গিয়েছিল তাদের অভ্যন্তরে—মাংস এবং দগদগে ক্ষত ছাড়া বিশেষ আর কিছুই তারা পায়নি।… তখন মাস্তুলে দারুণ অস্থির তোমার রুমালেরা। সেই মুহূর্তে দৈববাণীর মতো খুলে গিয়েছিল প্যান্ডোরার বাক্স—ঘটনাক্রমে। নূহের গর্দভ, সিলগালা করা জাহাজবন্দর আর মশলার গন্ধ মেখে হেঁটে যাচ্ছ—সে রুমাল নাড়তে নাড়তে। জিজ্ঞেস করোনি, গতবারের জিনিসগুলো কেমন ছিল, রঙ পছন্দ হলো কিনা?

—বোকা মানুষ, রুমাল নাড়তে নাড়তে ফিরে যাচ্ছ স্রেফ শুকতারার নিচে

Merchant
What is longed for—Brine or the absorbed port—where umpteen numbers of rigless arks are lying, flanked, counting hiccoughs in indifference. Allured, who trampled inside, got unexceptionally flesh and fiery laceration only. Your wipes were becoming impatiently ritzy at the mast then. In course of circumstances, like a prophesy, Pandora’s box turned open in a flash. You are moving inward the condomed port now, smelling of spices, dragging the asinine of Noah, waving the hankie. You never enquired about your former trade, likability of colors.

—You, goofy, returning merely under the Lucifer, hoisting erratically your kerchief.

# চায়ের দোকান ভাবছিলাম অদ্ভুত সেই চায়ের দোকানের কথা—একশ সতের পদের চা পাওয়া যেত যেখানে? তুমি বলছিলে, সব মিথ্যে! এসব নিতান্তই বিজ্ঞাপন। অত রকম চা নিশ্চয়ই বানানো সম্ভব নয়! আমরা পরীক্ষা করার জন্য একেকদিন একেকটা চায়ের অর্ডার দিতে শুরু করলাম।

একশ ষোল পদের চা আমরা পেয়েছিলাম। জ্যোৎস্নার সাথে অ্যালোভেরার চা দিতে পারেনি কালো দোকানদার। মনে আছে কিনা, একটা চা খেয়েছিলাম, জলপ্রপাতের সাথে মৌমাছির ডানার গুঞ্জন, কিশমিশ আর আমলকিমিশ্রিত। আরেকটা চা ছিল, যেটা খেলে ক্ষুধা নিবারণ হয়। সেই এক কাপ চা পানের পরবর্তী এক সপ্তাহ আমরা আর কোনো ক্ষুধা বোধ করি নি।

ভাবছি এবার শীতের ছুটিতে পৃথিবীতে যাবার সময় ঐ চা বানানোর পদ্ধতিটা শিখে যাব। তারপর আমরা পৃথিবীতে একটা ক্ষুধা নিবারক চায়ের দোকান খুলে বসব।

Merchandise of Camelia Sinesis Reflection was engulfing about the kinky kiosk of tea. One hundred and seventeen varieties were obtainable from there. You viewed it all illusive, downright publicity as making so many sorts of tea cannot be practiced at all. To explore, we initiated ordering one by one everyday. We received one hundred and sixteen kinds. The fuscous chandler turned incompetent to present Aloe Vera tea with moonlight. Memorably, we had one, unification of cascade, myrobalan, damson with buzzing of fry fin a day. There was another, swallowing which, appetite can be appeased. We lost our intellect of avidity for the subsequent one week from the day of noshing it.

Now, thinking of learning the method before voyaging over the globe in the following winter recess. And then, we will settle, opening a store, serving tea to prohibit hunger there

# ইসরাফিল এতটা খ্যাতি আমাকে দিয়েছে কিছু প্রশিক্ষিত শ্বেত কবুতর

উদ্ধত সম্রাটসুলভ ভঙ্গিতে হেঁটে চলার বদলে যখন তারা উড্ডীন—সমূহ আচ্ছন্নতামণ্ডলীতে—সেই মুহূর্তে আমি করতালিতে মাতিয়ে তুলি মঞ্চ।

সার্কাস দেখাতে দেখাতে শ্বেত কবুতরগুলি নেমে আসে মর্মরে—মর্ত্যে। তাদের ডানার শব্দ পেতে ব্যাকুল হয়ে থাকে লাল চেয়ারভর্তি সমস্ত মানুষ—অহমে অধিক লাল হওয়া এই চেয়ার!

…দূরে এক কোণে, ভাঙা চেয়ারে, ছাইরঙা জামা পরে সতর্ক হয়ে বসে আছে একজন অন্ধ মানুষ, ডান হাতে শিঙা;—ব্যাকুলতার অধিক অহম তার থেকে আর কার থাকতে পারে

Israfil A fame has given me a trained flock of pure white pigeons.

Instead of treading with a proud gait, common for a kaiser, when they sail through the blue-transcending all the comatose—I make the podium bound to burst in clapping at the same jiff. The pigeons ramp on the rustle—on the terra—dodging—the audience eagerly wait to hear the fluttering of their wings, sitting on the red chairs—the chairs seem scarlet with the flashing of ego personified on them. At the farthest corner, upon a broken chair, a blind man in a grey robe, sits consciously with a clarion in his right hand. Who can possess more arrogance than him in eagerness?

11080496_772799139481953_6368905472846250884_o

Translated from Original by Sonali Chakraborty

Sonali has completed her Masters in English Literature from Kalyani University. Currently, she is pursuing her research in Latin American Literature. Contact: sonali9191@gmail.com

Phone: +918116764909

About author

You might also like

The Chemistry-Lover who doesn’t have a Nuclear Sense

As we returned from the proposed nuclear power plant, we carried a pamphlet with us. When we reached back our village, the electricity had stopped. I ran to the room

Diaspora, Critical Theories, and Death of Language: Ahmed Shams’ analysis

Avik Gangopadhyay has both critical and creative writings to his credit published in esteemed journals and leading newspapers. A post-Graduate in English Language and Literature from Jadavpur University, Kolkata. He

The Rain and Other Poems: Shankha Ghosh

Shankha Ghosh (born 6 February 1932) is a Bengali poet and critic, born in Chandpur of present day Bangladesh. He is a leading authority on Rabindranath Tagore. Other than that,

Bon Appétit

I rose stiffly as he entered the dining room – noisily, laboriously – and plodded towards the table where I was seated. I had been dreading this lunch, but once

Scent of Women & Other Poems

The last line Two consecutive lines of a poem Always have an ego clash. Who’ll seat beneath? Who cares? No one wants to… But one has to sit. The succeeding

Ahalya of the rock & Other poems: KGS Pillai

Ahalya of the rock Leader of the mission to protect the hermits stood on a jungle rock watching the forest dwellers’ heads floating down the wild stream. “step away ,

Ostrich & Other Poems: Adrija Chakrabarti

WOULD YOU LIKE TO JOIN ME Not everything has a meaning I walked to nowhere today My feet touched a lost day’s dew My heart felt the thrill of speed

Argentine writer Gladys Cepeda in conversation with Mainak Adak

Gladys Cepeda is a contemporary Argentine poet. She is the editor of numerous literary magazines of which two most prominent are ‘LAK-BERNA’ and ‘El Septyimo Cielo En Los Ojos’. Her

‘Chera Cambiser Bag’: Review by Anirban Bhattacharya

…and the silence rolled up to a clandestine College Street junction, Subhas-da (Subhas Mukhopadhyay) cracked the silence with a soliloquy – ‘dekho bhebe dekhlam potrikata bodhoy hobe na’..(I think, the

Humans Without Borders: Atindriyo Chakraborty

The Bir Hors are a nomadic and traditionally hunting gathering tribe who number below 10,000 on this date, as per wiki wisdom. Presently, they have around sixteen settlements across Jharkhand

Kite & Other Poems: Bijoy Sankar Barman

An accomplished Assamese poet and translator, Bijoy Sankar Barman (b.1980) already has nine published books on different genres to his credit. The recipient of the prestigious Munin Barkataki Award in

Manolis Anagnostakis: The existentialist silence of post-war Greece

One of the most significant poets of Greece after World War II, Manolis Anagnostakis was in reality a practicing radiologist. The distraction created by two completely different facets of life—poetry

Sun and Light in Odysseas Elytis’ poetry

Odysseas Elytis was born in 1911 on the island of Crete and was a descendant of a family coming from Lesbos island. When his insular conscience met surrealism, the result

Deed of Gift: Amar Mitra

Deed of Gift (drafted by Sahebmari Baske) Beneficiary: Sahebmari Baske, s/o late Muchiram Baske, race Santhal, Indian in an extended sense, address Mouza Sonarimara, in other words, the Indian republic.

Silver-tongued Goddess & Other poems

Expressions    My verses are born in the silence where Zebras play with their colts. After a long expedition, I’ve found a page marker, an intense negation and the shadow

MILANO-VIGEVANO-?

We know where we’re born, we can imagine where we will live and we don’t know where we will die. Well, I would say that I am surely in the

Wind-script, Trigger Happy & Other Poems

1. Walk into the eerie; and sense who drills thy tomb with the wind-stone. 2. The propeller turns as a maze. On whose flesh that maroon nightgown murmurs? Oh human-toy!

Shanti Rides a Green Horse: Atindriyo Chakraborty

Presented here are some tales and some verses by Bhusukupa, mystic, poet, who lived in the eastern parts of the Indian subcontinent around a millennium ago. Lovers of Bangla literature

The night train through Simultala: Vineet Iqbal Singh

I would start scavenging the house looking for the ancient, weather-bitten, faithful rucksack – signaling the end of my summer vacations. My itinerary would be in public domain – a

Novelist Marion Molteno in talks with Tanvir Ratul

Marion Molteno is a South-African novelist. She grew up in South Africa but had to leave it after being involved in student protests against the apartheid regime. She spent 8

0 Comments

No Comments Yet!

You can be first to comment this post!

Leave a Reply